
ক্রাইম ডেস্কঃ উত্তর সিলেটের সর্ববৃহৎ গোয়াইনঘাট উপজেলাটি দেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত হওয়ার কারণে এখানকার নো-ম্যান্সল্যান্ডটি প্রতিনিয়ত চোরাচালান সিন্ডিকেট’র দখলে থাকে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ চার নেতা রফিক,জসিম ,কুদ্দুছ,বাবুল ওরফে শুটার বাবুলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সীমান্তে বসবাসকারী সাধারণ মানুষজনসহ্ এখানকার বালু-পাথর ও পরিবহনের ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, চলমান সময়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা বাহাদুরদের নির্মম অত্যাচারের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছে ঐ এলাকার সাধারণ মানুষ।পরিবার-পরিজনের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে উন্নত কোন ব্যবসার হাল ধরলেই এইসব নেতাদেরকে সাপ্তাহিক চাঁদা দিতে হয়।কেউ চাঁদা দিতে অনিহা প্রকাশ করলে তাঁদেরকে মারপিট সহ্ প্রাণনাশের হুমকি দেয় রফিক ও কুদ্দুস সিন্ডিকেট গ্রুপের লোকজন।
জামায়াত নেতাদের চাহিদা মতো চাঁদা না দিলে তাদের লোকজন দিয়ে গুম ,ডাকাতি,হত্যাসহ এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ম্যানেজ করে এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছে বলে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের এই চার নেতার বিরুদ্ধে।এসব অপরাধের সঙ্গে আগে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিল কিন্তু ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর আরোও ব্যাপকহারে চাদাবাজি,জমি দখল,চোরাচালানের রমরমা বাণিজ্য গড়ে তুলেছে জামায়াত নেতারা।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,জামায়াত নেতা রফিক,কুদ্দুস ও শুটার বাবুলদের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ এলাকার মানুষজন ভয়ে মুখ খুলে প্রতিবাদ করার সাহস পান না,তাদের অপকর্ম আর অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বসতবাড়ি ছেড়ে এলাকার অনেক নিরীহ মানুষজন দেশ ত্যাগ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়ে মাথা খোঁচার ঠাঁই খুঁজছেন।জামাতী ইসলামী নেতা হিসেবে এলাকায় তারা সুপরিচিত।