1. journalistabdullah11@gmail.com : Abdullah : Abdullah
  2. admin@dailyjaintiyardak.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নার্সিং পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ জাফলংয়ের সাবিকুন নাহার (জ্যোতি) লুটপাট অভয়ারণ্যে গোয়াইনঘাট,কুপির নিচে অন্ধকার। অপরাধ দমনে ওসি ওমর ফারুকের ‘জিরো টলারেন্স’—গোয়াইনঘাটে ৮১ দিনে ২৫৩ গ্রেফতার, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার অশ্রুসিক্ত বিদায়, সংবর্ধনায় সিক্ত প্রধান শিক্ষিকা হোসনে আরা পারভীন মোরগ কিনতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, লাশ মিলল ২ দিন পর শিমুল বাগান ও যাদুকাটা রক্ষায় ইজারাদারের বাঁশের বেড়া, তৎপর প্রশাসন সিলেটে হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ কুলাউড়ায় টাকা ও তিন সন্তানসহ স্ত্রী উধাও কানাইঘাটে একাধিক মামলার আসামি তমিজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অ্যান্ডি বার্নহাম

কানাইঘাটে একাধিক মামলার আসামি তমিজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

দৈনিক জৈন্তিয়ার ডাক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৯ বার পঠিত

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. তমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, একাধিক মামলায় ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং নাগরিক সেবা বিঘ্নিত করার অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য কোহিনুর এই অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে চেয়ারম্যান এম. তমিজ উদ্দিন জুলাই গণহত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে আত্মগোপনে রয়েছেন। দীর্ঘদিন তিনি ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশান সনদ ও নাগরিকত্ব সনদের মতো জরুরি সেবা নিতে এসে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ রয়েছে, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন সচিব ও উদ্যোক্তা মিলে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বিভিন্ন নথিপত্র প্রদান করছেন।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন আত্মগোপনে থাকলেও গোপনে দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর বিভিন্ন সুবিধা নিয়ন্ত্রণ ও বণ্টন করছেন। এছাড়া গত অর্থবছরের হোল্ডিং ট্যাক্সের প্রায় ২০ লক্ষ টাকা চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট সচিব মিলে আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে হিসাব চাওয়া হলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এলাকাবাসীর দাবি, চেয়ারম্যান নিয়মিত পরিষদে না এলেও মুলাগুল বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে প্রকাশ্যে দলীয় সভা-সমাবেশে অংশ নিতে দেখা যায়। এমনকি প্রশাসনকে ‘মাসোহারা’ দিয়ে তিনি চলছেন—এমন বিতর্কিত বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরেও স্থানীয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্য কোহিনুর বলেন, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়নবাসী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানা পুলিশকে বারবার বিষয়টি জানালেও কোনো প্রতিকার পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবের দ্বারস্থ হয়েছি। আমাদের দাবি, দ্রুত এখানে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জনসেবা নিশ্চিত করা হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, আইনের চোখে পলাতক একজন আসামির এমন দাপট এবং সরকারি অর্থ লুটপাটের ঘটনায় প্রশাসনের নীরবতা রহস্যজনক। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর