
নিউজ ডেস্ক সিলেট অফিসঃ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রতাপপুর,হাজীপুর,লামা পুঞ্জি,নকশিয়া পুঞ্জি,শিড়িরঘাট,সোনাটিলা,গুচ্ছ গ্রাম সীমান্ত এলাকায় বেপরোয়া চোরাকারবারিরা।
বিজিবি চোরাচালান প্রতিরোধে কিছুটা ভুমিকা পালন করলেও গোয়াইনঘাট থানাপুলিশ চোরাচালান সক্রিয় রাখতে সহযোগিতা করছেন চোরাকারবারিদের।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের সাথে চোরাকারবারিদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে, পুলিশের যোগসাজসে রাত দিন চলছে ভারতীয় চিনি, কসমেটিকস, মাদক,কম্বল, শীতের চাদর সহ্ ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালান।স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহলের চোখ ফাঁকি দিতে পুলিশের পরামর্শের সাথে তাল মিলিয়ে ট্রাকের ভিতরে ভারতীয় পণ্য এবং উপরে বালু ভর্তি করে বেপরোয়াভাবে চলছে গোয়াইনঘাটের চোরাচালান।
দফায় দফায় পুলিশ নিচ্ছেন চাঁদা।চোরাচালান সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে রাজি নয় পুলিশের কোন কর্মকর্তা। জানা যায়,গোয়াইনঘাট থানার ওসির নির্দেশে এই গোপনীয় সিস্টেম ধরে রাখার জন্যই ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকের উপরে বালু ভর্তি করা হয়। বৈষম্য মাখা ভাবমূর্তি নিয়ে এখনো চাঁদাবাজি শীর্ষে গোয়াইনঘাটের একাধিক পুলিশের এসআই/এএসআই।
৫ই আগষ্টের পর চাঁদাবাজির নতুন আপডেট নেয় পুলিশ,পুলিশ চেকপোস্ট সিস্টেম চালু করে ভারতীয় মালবাহী ট্রাক থেকে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় চেকপোস্টের আসপাশে পরিত্যক্ত রয়েছে টাকা বাঁধার শতশত রাবার।চাঁদাবাজির টাকা কালেকশন হয় ছাত্রলীগ এবং ছাত্রদলের নামধারী নেতাকর্মীদের মাধ্যমে।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার মো.তোফায়েল আহমদের সাথে কয়েকবার কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি ব্যস্থতার অযুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান।