1. journalistabdullah11@gmail.com : Abdullah : Abdullah
  2. admin@dailyjaintiyardak.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নার্সিং পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ জাফলংয়ের সাবিকুন নাহার (জ্যোতি) লুটপাট অভয়ারণ্যে গোয়াইনঘাট,কুপির নিচে অন্ধকার। অপরাধ দমনে ওসি ওমর ফারুকের ‘জিরো টলারেন্স’—গোয়াইনঘাটে ৮১ দিনে ২৫৩ গ্রেফতার, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার অশ্রুসিক্ত বিদায়, সংবর্ধনায় সিক্ত প্রধান শিক্ষিকা হোসনে আরা পারভীন মোরগ কিনতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, লাশ মিলল ২ দিন পর শিমুল বাগান ও যাদুকাটা রক্ষায় ইজারাদারের বাঁশের বেড়া, তৎপর প্রশাসন সিলেটে হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ কুলাউড়ায় টাকা ও তিন সন্তানসহ স্ত্রী উধাও কানাইঘাটে একাধিক মামলার আসামি তমিজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অ্যান্ডি বার্নহাম

গোয়াইনঘাটে দুই কনস্টেবলের বদলির আদেশ হলেও ছাড়তে রাজি নয় টাকার খনি।

দৈনিক জৈন্তিয়ার ডাক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৫৯ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় কর্মরত দুই কনস্টেবলকে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ঢাকা কর্তৃক প্রশাসনিক কারণে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।এ আদেশ মেনে নিয়ে ছাড়তে রাজি নয় টাকার খনি।বরং আদেশ অমান্য করে গত একমাস থেকে গোয়াইনঘাট থানায় বহাল তবিয়তে রয়েছেন পুলিশের এই দুই কনস্টেবল।

জানা যায়, বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি মোঃমাহবুবুল করিম স্বাক্ষরিত হেডকোয়ার্টার্সের গত ১৩/১১/২৩ ইং তারিখের এক আদেশ বিজ্ঞাপ্তিতে সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় পুলিশের কনস্টেবল পদে কর্মরত সুনীল তাঁতি সিলেট জেলা বিপি নং-৮১১১১২৯৫৬২ কনস্টেবল কাজী মুমিন হোসেন(ইমন) সিলেট জেলা বিপি নং-৯৫১৮২০৪৪৮০ উভয়কে সিএমপি চট্রগ্রামে বদলির আদেশ প্রদান করা হয়। তবেঁ অদৃশ্য কারণে তাঁরা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এই আদেশকে অমান্য করে এখনো গোয়াইনঘাটে কর্মরত রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়াইনঘাট থানাপুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তা জানান, গোয়াইনঘাট থানায় বদলির আদেশ আসলে তা গোপন করে অনেকে সিসি না নেওয়ার জন্য তদবির করেন, এই থানায় হেডকোয়ার্টার্সের আদেশ অমান্য করা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এখানে সরকারি বেতনভাতার চেয়ে তিনগুণ টাকা অবৈধ উপায়ে আয় করা যায়।কনস্টেবল সুনীল তাঁতি ও কনস্টেবল কাজী মুমিন হোসেন(ইমন)ওসি স্যারের বিশ্বস্ত লোক,দীর্ঘদিন থেকে তাঁদের দিয়ে স্যার চোরাচালানসহ্ রাতে পাথর উত্তোলনের হিসাব নিকাশ নিয়ন্ত্রণ করিয়ে আসছেন।

পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থার একটি সুত্রে আরো জানা যায়,এই দুই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে জাফলং পিয়াইন নদীতে রাতে পাথর খেকো চক্রের কাছ থেকে এবং ভারতীয় চোরাচালান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে থানার ওসির নামে দৈনিক,মাসিক ও সাপ্তাহিক চাঁদা আদায় করে ওসিকে বুঝিয়ে দিতেন এমন অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজিসহ্ পুলিশের নীতিমালা অমান্য করায় তাঁদেরকে প্রশাসনিক কারণে সিএমপি চট্রগ্রামে বদলির আদেশ প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে বদলি আদেশ পাওয়া কনস্টেবল সুনীল তাঁতির কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে চায়ের অফার করে সরাসরি সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেন। অপরদিকে একই আদেশ প্রাপ্ত কনস্টেবল কাজী মুমিন হোসেন(ইমন)’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,বদলি আদেশের বিষয়ে তিনি কেবল প্রতিবেদকের কাছে শুনেছেন।এমন আদেশ আসছে কি না তা ডিআইজি স্যার এবং ওসি স্যার বলতে পারবেন।গত ১৩/১১/২৩ বদলি আদেশ পাঠানো হয়েছে এখনো কর্মস্থলে বহাল কিভাবে?এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি ওসি সাহেবকে ইংগিত করে বলেন,বিষয়টি স্যার ভালো বলতে পারবেন আমি যেকোন সময় এমন আদেশ সম্মানের সহিত গ্রহণ করতে রাজি আছি।এসব কথা বলে তিনি এই বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য এ প্রতিবেদককে অনুরোধ করেন এবং তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করেন।

বদলির আদেশ প্রসঙ্গে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কেএম নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে কোন প্রকার রেসপন্স পাওয়া যায়নি বিধায় এ কর্মকর্তার মন্তব্য প্রকাশ করা যায় নি। এবং সরাসরি পুলিশের অপকর্মের বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে এই কর্মকর্তার কাছে অনুসন্ধানী রিপোর্টারেরা নিরাপদ নয় বলেও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়।

চলমান

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর