
জামাল আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার (সিলেট):-
সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট – কোম্পানীগঞ্জের পাথর ষ্টোন ক্রাশার ও বালু মহলে দৈনিক লেবার শ্রমিক দিয়ে গাড়ি লোড আনলোড করা হতো কিন্তু এখন আর শ্রমিক দিয়ে লোড হচ্ছে না। ফেলোডার দিয়ে লোড দেওয়া হচ্ছে পাথর ও বালু ফেলুডার দিয়ে লোড করা হচ্ছে। এতে বিশেষ সুবিধা দিতে হচ্ছে শ্রমিক নেতা আব্দুর রবকে, ফেলুডার লোড দিতে হলে টাকা দিতে হয় শ্রমিক নেতা কে, না হলে বিভিন্ন হামলা ও রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যক্ত করেন শ্রমিক নেতা, এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সুত্রেও ব্যবসায়ীরা জানান, আব্দুর রব জৈন্তা গোয়াইনঘাট -কোম্পানিগঞ্জ বৃহত্তর পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার সুবাদে ঠান্ডা মাথায় চালিয়ে যাচ্ছেন এসব অপ কান্ড । যেখানে লাখো শ্রমিক আজকে বেকারত্বে জীবন যাপন পার করছেন ঠিক এই সময়টায় শ্রমিকদের দোহাই দিয়ে বিভিন্ন ক্রাসার মিল ও বিভিন্ন লোড আনলোড পয়েন্ট থেকে প্রতি ফেলুডার থেকে ৪শ থেকে ৫শ টাকা। অন্যদিকে রাংপানি শ্রীপুর পাথর কোয়ারি থেকে কয়েক হাজার গনফুট সাদা পাথর ও বালু লুটপাট হয়েছে বালু এবং সাদা পাথর লুটপাট করতে সহায়তা করেছেন উনার গড়ে তুলা নিজস্ব বাহিনী । উনার নিজস্ব বাহিনীর সরদার ২ নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের শ্রমিক নেতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন। ঐসব টাকা কালেকশন থেকে শুরু করে আব্দুর রবের অপকর্মের সবকিছুর মূল হোতা এই দেলোয়ার হোসেন। সে গত ৫ আগস্ট এর পর থেকে রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে চোরাচালান, অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলন থেকে সকল অপকর্ম চালিয়ে রাতারাতি হয়ে গেছেন জিরো থেকে হিরো। হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ।
গত ৫ আগস্ট এর আগে ছিলেন একজন সাধারণ ড্রাইভার ৫ আগস্টের পরেই রাজনৈতিক দাপট দেখিয়ে ও শ্রমিক নেতা আব্দুর রব মিয়ার ছত্রছায়ায় এই দেলোয়ার এখন ২টি ট্রাক গাড়ি ও কয়েক লাখ টাকার মালিক বনে গেছেন।
স্থানীয় লেবার শ্রমিকরা জানান, বৃহত্তর জৈন্তায় লাখো লাখো বেলচা শ্রমিকের একমাত্র রুটি রুজির জায়গা হলো পাথর কুয়ারী কিন্তু পাথর কুয়ারী বন্ধ তাই কিছু ক্রাশার মেইল বা কিছু সরকারি ইজারাকৃত বালু মহল গুলো এখান থেকে ট্রাক গাড়ি গুলা লোড আনলোড করে তারা তাদের জীবিকা নির্বাহ করতো। কিন্তু যখনই আব্দুর রব ও আওয়ামীলীগ নেতা সম্রাট বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের দায়িত্ব পান ঠিক তখন থেকেই আর কোন শ্রমিক গাড়ি লোড আনলোড করতে পারে না। যেখানেই লেবারের প্রয়োজন সেখানেই ফেলুডার দিয়ে কাজ চালিয়ে দিচ্ছেন। তারা টাকার বিনিময় আজ তাদের এই সামান্য টাকার লোভ সামলাতে না পারায় লাখো লাখো বেলচা শ্রমিক বেকারত্ব জীবন পার করছেন। সাধারণ শ্রমিকদের একটাই দাবি এই চাঁদাবাজদের কে চিহ্নিত করে সাদা পাথর বালু লুট পাটের মতো জঘন্য অপরাধের এবং লাখো শ্রমিকের অধিকার কেড়ে নেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সচেতন মহলের দাবি।
এবিষয়ে শ্রমিক নেতা আব্দুর রবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি টানা তিনবারের শ্রমিক নেতা বর্তমান সময়ে কিছু ব্যবসায়ী বালু,পাথর লেবারকে না দিয়ে ফেলুডার দিয়ে লোড আনলোড করতেছে আমি ঐসবে প্রতিবাদ জানালে আমাকে নিয়ে কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী ঐসব মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিতেছে ঐই বিষয় নিয়ে আমরা বসেছি উপজেলার সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে এটার একটা সুরাহা হবে।