
গোয়াইনঘাট থেকে ঘুরে এসে স্টাফ রিপোর্টার সিলেট অফিস//
সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ওসি ও আওয়ামীলীগের দোসর হিসেবে বিতর্কিত গোয়াইনঘাট- কোম্পানিগঞ্জের সার্কেল এএসপি সায়িদুর রহমান’র সহযোগী প্রেতাত্বা গোয়াইনঘাট থানার আলোচিত ও পাথর চুরির অভিযোগক্ত দারগা এএসআই তানভির । চোরাকারবারি, পাথর-বালু মহাল থেকে শুরু করে এমন কোন খাত নেই চাঁদা আদায় করনেনি ঐ শিষ্য এএসআই তানভির । রহস্যজনক কারনে এতো অভিযোগের পরেও তিনি বিছনাকান্দি পুলিশ ভিটের দায়িত্বে এখনোও বহাল ও গোয়াইনঘাট থানায় বিশাল তবিয়তে থেকে আড়াল হতে চাঁদা আদায় বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট থানা (উপজেলায়) এমন কোন চোরাকারবারি, বালু-পাথর ও ভূমি খেঁকো সিন্ডিকেট সদস্য নেই যে তার সাথে তাদের কোন গভীর আন্তঃসর্ম্পক নেই। রাত হলেই গোয়াইনঘাট বিছনাকান্দি সীমান্ত এলাকা দিয়ে যে সকল অবৈধ ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে তার হিসেবের নথি ওই কর্তার পকেটে থাকে। শীর্ষ চোরাকারবারি কোটিপতি থেকে শুরু করে অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও তার শ্বশুড়-জামাতার সর্ম্পক। আবার চাঁদা না পেলে গণেশ উল্টে দেন মূহুর্তে। তাদের সঙ্গ দিতে অভিযানের নামে নাটকের মঞ্চ তৈরি করেন তিনি। তার বেশিরভাগ অভিযান পরিচালনায় দেখা যায় আসামি আটক ছাড়া মালামাল জব্দ ।
অভিযোগ রয়েছে গত মাসের ০৩ নভেম্বর দিবাগত রাত অনুমান ২টার সময় পুলিশ কর্মকর্তা এসআই কামাল ও এএসআই তানভির আকস্মিক হাদারপার বাজার মসজিদের উত্তরের রাস্তার পাশে স্ত্তপ করে রাখা অনুমান ৯০০ ঘনফুট (যার আনুমানিক বাজার মূল্য -১,০৮,০০০/-) পাথর চুরির লিখিত অভিযোগ করেন গোয়াইনঘাট স্থানীয় হায়দারপার লামনি গ্রামের মৃত আমির উদ্দিন এর পুত্র তাজ উদ্দিন এনিয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও পিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে তারপরও রহস্যজনক কারনে অভিযোক্ত এই এএসআই তানভির একই কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে এতে তাহার এত খুঁটিরজোর কোথায় এনিয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলার সচেতন নাগরিক মহলের ক্ষোভ’র শেষ নাই।
এদিকে গোয়াইনঘাট ও বিছনাকান্দি চোরাকারবারির একটি সিন্ডিকেটগ্রুপ তাদের ব্যাবসাকে ত্বরান্বিত করতে ও এএসআই তানভীরকে বহাল তবিয়তে রাখতে এই কৌশল অবলম্বন করেন। জিরো থেকে কোটিপতি সকলেরই তালিকা তার হাতের মুঠোয় তিনি তালুবন্দি করে রেখেছেন গোয়াইনঘাট বিছনাকান্দি।
এদিকে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি ও পুলিশের একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র প্রতিবেদক’কে জানিয়েছেন,
গোয়াইনঘাট থানার সকল পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে ছন্নছাড়া তার চলাফেরা দেখলেই মনে হয় হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ..! গোয়াইনঘাট থানায় যোগদানের পর থেকে চোরাচালান যেন তার হাতের মুঠে নিয়ে এসেছে । মাস দু’এক পূর্বের তার ব্যক্তিগত মুঠোফোন রের্কড পর্যালোচনা করলে বেরিয়ে আসবে এসব কূ-কর্মের চাঞ্চল্যকর ভয়াবহ তথ্য। স্থানীয়দের মতে এএসআই তানভির গোয়াইনঘাট থানায় যোগদানের পর থেকে ঢালাওভাবে ওই উপজেলায় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও তাহার যোগসাজশে বেড়ে যায় অনিয়ম-দুর্নীতি ও চোরাকারবারী’র মহোৎসব। আওয়ামীলীগের দোসর হিসেবে বিতর্কিত গোয়াইনঘাট- কোম্পানিগঞ্জের সার্কেল এএসপি সায়িদুর রহমান’র ছত্র-ছায়ায় থেকে এএসআই তানভির অল্পদিনে গোয়াইনঘাটে রাজ করতে থাকেন।
এবিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার মো: তোফায়েল আহমেদ প্রদিবেদককে জানান, এএসআই তানভির এর বিষয়টি আপনি সরেজমিনে আসেন এসে নিউজ করেন, এতে প্রতিবেদক জানান সরেজমিন থেকে ঘুরে এসে সংবাদ প্রকাশ করতেছি আপনি তাহার পাথর চুরি ও চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে উনি বলেন পাথর নিয়ে ভূমি অফিসের একজনের একটি মামলা রয়েছে গোয়াইনঘাট থানার মামলা নং হয়তো ৪৫ এর জেরে হয়তো এইসব হচ্ছে তবে এই মামলা তদন্ত করছেন এসআই কামাল তবে তানভির হচ্ছে এএসআই এভাবে নিউজ করা ঠিক না।
এনিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ’র সু-দৃষ্টি থাকলে যেকোন অনিয়ম, ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ করা মাত্র সময়ের ব্যাপার। এসময় তারা আরও বলেন এরকম কতিপয় অসাধু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ হবে অন্যথায় দুর্নীতি বন্ধ করা যাবেনা। এছাড়া স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শীর্ষ চোরাকারবারি ও দুর্নীতিবাজদের তালিকা সম্পন্ন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’কে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সূযোগ করে দিলে অবৈধ পন্থায় বনে যাওয়া জিরো থেকে কোটিপতিরাও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
চলমান পর্ব…..