1. journalistabdullah11@gmail.com : Abdullah : Abdullah
  2. admin@dailyjaintiyardak.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নার্সিং পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ জাফলংয়ের সাবিকুন নাহার (জ্যোতি) লুটপাট অভয়ারণ্যে গোয়াইনঘাট,কুপির নিচে অন্ধকার। অপরাধ দমনে ওসি ওমর ফারুকের ‘জিরো টলারেন্স’—গোয়াইনঘাটে ৮১ দিনে ২৫৩ গ্রেফতার, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার অশ্রুসিক্ত বিদায়, সংবর্ধনায় সিক্ত প্রধান শিক্ষিকা হোসনে আরা পারভীন মোরগ কিনতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, লাশ মিলল ২ দিন পর শিমুল বাগান ও যাদুকাটা রক্ষায় ইজারাদারের বাঁশের বেড়া, তৎপর প্রশাসন সিলেটে হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ কুলাউড়ায় টাকা ও তিন সন্তানসহ স্ত্রী উধাও কানাইঘাটে একাধিক মামলার আসামি তমিজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অ্যান্ডি বার্নহাম

জেলখানায় পড়ালেখা করে নিজেই মামলা লড়ে জিতলেন আসামী।

দৈনিক জৈন্তিয়ার ডাক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২২৬ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক:১২ বছর আগে দুই কনস্টেবলকে হত্যার দায়ে করা মামলায় কারাগারে যেতে হয় তাঁকে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন না তিনি। তবে দমে যাননি তিনি, কারাগারে গিয়ে আইন বিষয়ে পড়াশুনা করেন।পরে জামিনে বেরিয়ে নিজের মামলা নিজেই লড়ে ১২ বছর পরে পান বেকসুর খালাস।

ভারতের উত্তর প্রদেশের মেরুত নামক এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, ২০১১ সালে খুনের মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয় অমিত চৌধুরী নামের ১৮ বছর বয়সী এক তরুণকে। কিন্তু তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না।

২০১১ সালে উত্তর প্রদেশের মেরুত এলাকায় দুজন পুলিশ কনস্টেবল খুন হন। এতে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। দোষীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে নির্দেশ দেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী।তখন ১৮ বছর বয়সী অমিত চৌধুরীকে অভিযুক্ত করা হয়।বলা হয়, তিনি একজন গ্যাংস্টার।

কিন্তু অমিত চৌধুরী একজন কৃষকের ছেলে। তাঁর স্বপ্ন ছিলো তিনি একদিন সামরিক বাহিনীতে যোগ দেবেন। ঘটনার সময় তিনি ওই গ্রামেই ছিলেন না।

এরপরও অমিতকে গ্রেপ্তার করে পাঠানো হয় কুখ্যাত মুজাফফরনগর জেলে। ওই জেলে আগে থেকেই এলাকার সবচেয়ে বড় গ্যাংস্টারেরা ছিলেন। সেখান থেকে অপরাধমূলক কাজ চালাতেন তারা।

সেই কারাগারে বসেই অমিত সিদ্ধান্ত নেন,নিজেই নিজের মামলা লড়বেন। কিন্তু গ্যাংস্টারদের কারণে তিনি ভালোভাবে থাকতেই পারছিলেন না। সবাই তাঁকে নিজেদের দলে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করে। তবে জেলারের সহায়তায় তিনি এমন একটি কক্ষে থাকার সুযোগ পান, যেখানে গ্যাংস্টারদের প্রভাব নেই।

সেই কারাগারেই পড়াশুনা শুরু করেন অমিত। আইন নিয়ে সবকিছু শিখতে শুরু করেন। এভাবে দুই বছর কেটে যাওয়ার পর জামিন পান তিনি। বেরিয়েই প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা করেন তিনি। এরপর আইনজীবী হয়ে নিজেই নিজের মামলা লড়েন।

সম্প্রতি সেই মামলায় জিতেছেন অমিত। তবে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বছর কেটে গেছে কারাগারে। অমিত বলেন, ‘এ নিয়ে আফসোস নেই। এখন আমি সমাজে কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছি। এটা আমার জন্য বড় পাওয়া।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর