1. journalistabdullah11@gmail.com : Abdullah : Abdullah
  2. admin@dailyjaintiyardak.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নার্সিং পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ জাফলংয়ের সাবিকুন নাহার (জ্যোতি) লুটপাট অভয়ারণ্যে গোয়াইনঘাট,কুপির নিচে অন্ধকার। অপরাধ দমনে ওসি ওমর ফারুকের ‘জিরো টলারেন্স’—গোয়াইনঘাটে ৮১ দিনে ২৫৩ গ্রেফতার, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার অশ্রুসিক্ত বিদায়, সংবর্ধনায় সিক্ত প্রধান শিক্ষিকা হোসনে আরা পারভীন মোরগ কিনতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, লাশ মিলল ২ দিন পর শিমুল বাগান ও যাদুকাটা রক্ষায় ইজারাদারের বাঁশের বেড়া, তৎপর প্রশাসন সিলেটে হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ কুলাউড়ায় টাকা ও তিন সন্তানসহ স্ত্রী উধাও কানাইঘাটে একাধিক মামলার আসামি তমিজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অ্যান্ডি বার্নহাম

গোয়াইনঘাটে স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যামামলায় স্বামীর মৃত্যু দন্ড।

দৈনিক জৈন্তিয়ার ডাক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৫৭ বার পঠিত

রহিম উদ্দিন গোয়াইনঘাট থেকে: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি দক্ষিণ পাড়া গ্রামে স্ত্রী আলিমা বেগম(৩০),তার দুই সন্তান মিজান(১০) ও তানিশা(৩)কে হত্যার দায়ে হিফজুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

২৩/১১/২৩ ইং রোজ বৃহস্পতিবার সিলেটের সিনিয়র দায়রাজজ আদালতে বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এই আদেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে গত ১৬ জুন বুধবার ২০২১ সালে গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি দক্ষিণ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা হিফজুর রহমানের বাড়িতে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার খবর পাওয়া যায়।খবর পেয়ে সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেল প্রবাস কুমার সিংহ ও গোয়াইনঘাট থানার ওসি আব্দুল আহাদ ও টিম গোয়াইনঘাট ঘটনাস্থলে গিয়ে আলিমা বেগম(৩০),মিজান(১০),তানিশা(৩) এর’রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা তিনটি মরদেহ সহ্ এঘটনায় আহত স্বামী হিফজুরকেও উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাঁকে আহত অবস্থায় সিওমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিল,সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।তবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও স্থানীয়দের জিজ্ঞেসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশের সন্দেহের তীর আহত হিফজুরের দিকেই ঘুরে দাঁড়ালে পুলিশ পাহারায় তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

চিকিৎসাধীন হিফজুরের জ্ঞান ফিরলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি উল্টাপাল্টা কথা বললে সন্দেহের তীর আরো ভারী হয় পুলিশের।এ ঘটনায় ঘাতক হিফজুরের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় হত্যামামলা রুজু করে তাঁকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।পরবর্তী পুলিশ কর্তৃক আদালত থেকে রিমান্ড চেয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি নিজেই হত্যার দায় শিকার করেন,এ ঘটনায় সম্প্রতির পাঁচ বছরের আরো একটি ছেলে আফসান ঐরাতে তার মামার বাসায় থাকায় প্রাণে বেঁচে যায়।
গোয়াইনঘাটে ত্রিপল হত্যার মূল রহস্য উদঘাটনে সিলেট জেলা ও থানা-পুলিশের প্রতিবেদন দাখিলের পর সিলেটের বিজ্ঞ আদালত হিফজুরের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এ জাতীয় আরও খবর