
অনুসন্ধানে রয়েছে মুদ্রার ওপিঠ এপিঠ।
ক্রাইম ডেস্কঃসিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলাকেন্দ্রবিন্দুর উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত কয়েকটি ইউনিয়নে রয়েছে ভরপুর খনিজ সম্পদ।
যেমন,১৩নং বিছানাকান্দি ইউনিয়ন,১নং রুস্তমপুর ইউনিয়ন,২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন,১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়ন এবং ৩নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন।
গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন এসকল ইউনিয়নে রয়েছে ভরপুর খনিজ সম্পদ,অন্যদিকে এ উপজেলার সাথে সমতল ঘেঁষা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে অবস্থিত রয়েছে ভারত মেঘালয়া।
ঘুরে দেখা যায়,গোয়াইনঘাট উপজেলার সীমান্ত এলাকাগুলোতে রয়েছে কাঁটাতারবিহীন একশোটিরও বেশি ভারতে প্রবেশের ওপেন/সহজ পথ,এসব চোরাইপথ ব্যবহার করে দৈনিক কোটি কোটি টাকার অবৈধ পণ্য আমদানিরপ্তানির ব্যবসা চালিয়ে আসছেন জেলা-উপজেলার শতশত চোরাকারবারি/কালোবাজারিরা।
যুগ যুগ ধরে এ উপজেলার খনিজ সম্পদ লুটপাট,চাদাবাজ সিন্ডিকেট, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে কোটি কোটি টাকার আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য মাদক,খাবার দ্রব্য,পোষাক বস্ত্র,কসমেটিকস,গরু-মহিষ,অগ্নিঅস্ত্র সহ্ নানারকম সর্বচাহিদার পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে গিয়ে সরকারের কর ফাঁকি এবং দেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন সহ্ গঠিত বড় বড় অপরাধ/অপরাধী মাফিয়াদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাসনক্ষমতায় আইন প্রয়োগ করে অপরাধ ও লুটপাট ঠেকানোর নজির দেখা যায় নি।
থানা-পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন এবং সহকারী কমিশনার ভূমির চোখের সামনেই বড় বড় অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে,চোরাই পথে আসা মাদকদ্রব্য সহ্ নানারকম অবৈধভাবে পণ্য আমদানিরপ্তানি ঠেকাতে যেনো বার বার ব্যর্থ স্থানীয় প্রশাসন।
এ উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসন, থানাপুলিশের বড়বাবু,কর্তাবাবু,ছোটবাবু থেকে শুরু করে কং বাবুরাও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট,চোরাকারবারি,মাফিয়া-লুটপাটে উপার্জিত সহজ মুদ্রার কাঙ্গাল।
জবাবদিহিতা এড়িয়ে কাঙ্গালী কর্তারা দিনের পর দিন গোয়াইনঘাটকে লুটেপুটে নিচ্ছেন, আলিশান গৃহ নির্মাণ করছেন,অপরাধ প্রবণতা বাড়াচ্ছেন বড় বড় অপরাধীর মুখ মুদ্রাপাতায় ঢেকে দিচ্ছেন এবং দিনমজুরদের ঘাড়ে দায়ভার চাপিয়ে দিয়ে কর্তারা এভাবেই কাটাচ্ছেন দায়সারা দায়িত্ব কাল।